চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) তালিকাভুক্ত স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদক (আইপিপি) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চার কোম্পানির মুনাফা কমেছে। এ সময় মুনাফা থেকে লোকসান হয়েছে একটি কোম্পানির। এছাড়া মুনাফা বেড়েছে দুটির ও লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে আরো দুটি কোম্পানি। কোম্পানিগুলোর তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) আর্থিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
তিন প্রান্তিকে মুনাফা কমেছে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও সামিট পাওয়ার লিমিটেডের। আলোচ্য প্রান্তিকে মুনাফা থেকে লোকসানে গেছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি। মুনাফা বেড়েছে ডরিন পাওয়ার অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের। আর লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড।
বারাকা পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে বারাকা পাওয়ারের আয় হয়েছে ১২৯ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২২৫ কোটি টাকা।
বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের আয় হয়েছে ১ হাজার ১৮ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৬১ কোটি টাকা।
শাহজিবাজার পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহজিবাজার পাওয়ারের আয় হয়েছে ৯২১ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৫৯ কোটি টাকা।
সামিট পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩৬৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট পাওয়ারের আয় হয়েছে ৩ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ হাজার ৩০ কোটি টাকা।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ২০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরে নিট মুনাফা ছিল ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের আয় হয়েছে ২৩৮ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২১২ কোটি টাকা।
ডরিন পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে ডরিন পাওয়ারের আয় হয়েছে ১ হাজার ৬৭ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৫৬ কোটি টাকা।
ইউনাইটেড পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ১৩৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৭৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড পাওয়ারের আয় হয়েছে ৩ হাজার ৫৯ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা।
খুলনা পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরে নিট লোকসান ছিল ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে খুলনা পাওয়ারের আয় হয়েছে ৮২ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩২ কোটি টাকা।
জিবিবি পাওয়ার: চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৯৮ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরে নিট লোকসান ছিল ৬ কোটি ২৯ লাখ টাকা।